মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

উপজেলার ঐতিহ্য

চিতলমারী দারুল উলুম কাওমিয়া মাদ্রাসা

কিভাবে যাওয়া যায়: 
বাগেরহাট জেলা বাস স্ট্যান্ড থেকে বাসে অথবা মুনিগঞ্জ খোয়াঘাট থেকে মোটর সাইলেকে চড়ে চিতলমারী পুরাতন বাসসস্ট্যান্ডে নামার পর বাজারের মধ্যে এই মাদ্রাসাটি অবস্থিত। গোপালগঞ্জ জেলার টুংগিপাড়া থেকে খেয়াপার হয়ে বাসে অথবা মোটর সাইকেলে অথবা অন্য কোন বাহনে চড়ে শহীদ মিনারে নেমে এই মাদ্রাসায় পৌছানো যায়।
 

এই মাদ্রাসাটি কওমি মাদ্রাসার পরীক্ষার সেন্টার হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এই মাদ্রাসাটি অনেক পুরাতন। এই মাদ্রাসাটিতে প্রায় ৫০০ অধিক ছাত্র-ছাত্রী পড়াশুনা করে। এখানে এতিমখানা রয়েছে। মাদ্রাসায় প্রতি বছর বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলে দেশ-বিদেশ থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ওয়াজ শুনতে আসেন। এই মাদ্রাসাটি প্রায় ৫বিঘা জমির অবস্থিত। এই মাদ্রাসার মুহাতামিম পীরকামেল হযরত মাও: আ: রহমান ।

অবস্থান: 
চিতলমারী বাজারের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত।
 
 

বাংলাদেশ সেবাশ্রম, নালুয়া

কিভাবে যাওয়া যায়: 
বাগেরহাট থেকে বাসে অথবা মোটর সাইকেলে চড়ে চিতলমারী উপজেলা নালুয়া বাজারের সন্নিকটে এই আশ্রমে আসা পৌছানো যায়। গোপালগঞ্জ জেলার টুংঙ্গিপাড়া উপজেলা থেকে পাটগাতী খেয়ে পার হয়ে বাসে বা মোটর সাইকেলে বা অন্য যে কোন বাহনে চড়ে সমাধী স্থলে পৌছানো যায়। বাগেরহাট থেকে বাসে ভাড়া ৫৫/- টাকা, মোটর সাইকেলে ভাড়া ২০০/-, পাটগাতী থেকে বাসে ভাড়া ১০ টাকা, মোটর সাইকেলে ৫০/- টাকা।

বাংলাদেশ সেবাশ্রম টি ১০ একর জমির উপর ১৯৭৯সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি প্রতিষ্ঠা করে শ্রীমৎ আচার্য  বিবেকানন্দ গোস্বমাী । এটি চিতলমারী উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের গোড়া নালুয়া নামক গ্রামে অবস্থিত। শ্রীমৎ আচার্য  বিবেকানন্দ গোস্বমাীর প্রতিষ্ঠিত এরকম বাংলাদেশ আরো   ৪৮ সহ ভারতে ৫টি এমন আরো আশ্রম রয়েছে। বর্তমান সেবাশ্রমে রয়ের শ্রীমৎ আচার্য  বিবেকানন্দ গোস্বমাী সমাধী মন্দির, আসন, একটি পুকুর ও স্বামীজির পুরাতন ঘরটি, শ্রী শ্রী  গোবিন্দ মন্দির, শ্রী কৃষ্ণের কালিয়া দমন । শ্রীমৎ আচার্য বিবেকানন্দ গোস্বমাী কর্ম জীবনে বরগুনা সরকারি কলেজ ভাইস প্রিন্সিপাল ছিলেন।  জীবনে তিনি দর্শন সহ বাংলা ও সংস্কৃত মোট তিনটি বিষয়ের এম এ ডিগ্রী লাভ করেন।
শ্রীমৎ আচার্য  বিবেকানন্দ গোস্বমাীর আর্বিভাব ১৯৪০ সালের ভাদ্র মাসের রাধাষ্টমী তীথিতে রোজ মঙ্গলবার এবং মহাপ্রয়ণ ১লা ডিসেম্বর ১৯১০ সাল বুধবার সকাল ৭টা ৩৫ মিনিট।  আচার্য  বিবেকানন্দ গোস্বমা।

প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের শ্রীকৃষ্ণের দোল উৎসব অনুষ্ঠান পালন করা হয়। এ সময় ৩দিন ব্যাপী নামযজ্ঞ, ধর্মীয় আলোচনা সভা, ভজনগীতি ও গুরুদেবের মহিমা কীর্ত্তন হয়। এ অনুষ্ঠানে দেশে বিদেশের অগনিত ভক্তের আগমন ঘটে।

অবস্থান: 
চিতলমারী উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের গোড়া নালুয়া নামক গ্রামে অবস্থিত।